লাইভ সোনারগাঁও ডেস্কঃ
সোনারগাঁও রিপোর্টার্স ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাটিভির বন্দর-সোনারগাঁও প্রতিনিধি হাজী মো. শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে মসজিদের অর্থ আত্মসাৎ ও জায়গা দখলের অভিযোগে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
প্রতিবাদকারীদের দাবি, হাজী মো. শফিকুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে নিজ এলাকা উত্তর জাইদেরগাঁও জামে মসজিদের পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, মসজিদের উন্নয়নে শফিকুল ইসলাম তার বাবা-মায়ের নামে ১০ লাখ টাকা এবং তার ভাই-বোনেরা আরও ৪ লাখ টাকা—মোট ১৪ লাখ টাকা অনুদান দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন।
প্রতিবাদকারীদের অভিযোগ, এরই মধ্যে শফিকুল ইসলামকে অবহিত না করে এবং তাকে বাদ দিয়ে নতুন একটি কমিটি গঠন করা হয়। পরবর্তীতে ওই কমিটিকে বৈধতা দেওয়ার উদ্দেশ্যে কয়েকটি পত্রিকায় তার বিরুদ্ধে মসজিদের অর্থ আত্মসাতসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।
তাদের দাবি, শফিকুল ইসলাম মসজিদের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন—এমন অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই। বরং তিনি বিভিন্ন সময়ে মসজিদের উন্নয়ন কাজে ব্যক্তিগত অর্থ সহায়তা করেছেন বলেও তারা উল্লেখ করেন।
প্রতিবাদকারীরা আরও বলেন, প্রকাশিত সংবাদে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, সেগুলো যাচাই-বাছাই ও প্রমাণ ছাড়া প্রকাশ করা হয়ে থাকলে তা অত্যন্ত দুঃখজনক। তারা বিষয়টি সঠিকভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরার আহ্বান জানান।
এ বিষয়ে প্রকাশিত অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন তারা। একই সঙ্গে হাজী মো. শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদকে তারা মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে সাংবাদিক শফিকুল ইসলামের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করে বলেন, “আমি সবসময় মসজিদের উন্নয়ন ও কল্যাণে কাজ করে আসছি। ভবিষ্যতেও মসজিদের জন্য কাজ করে যাব, ইনশাআল্লাহ।”